ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়েই শিক্ষার্থীদের নদী পারাপার হতে হয়।

50

আখতার হোসাইন খান                              ব্যাহত হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা। কোন ব্রিজ। একটি মাত্র সাঁকোই শেষ ভরসা। আবার সেই সাঁকোই যদি হয় জরাজীর্ণ তখন ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়েই শিক্ষার্থীদের নদী পারাপার হতে হচ্ছে। এতে করে ঘটছে দুর্ঘটনা। তাই দোয়া-দরুদ পড়ে সাঁকো পার হতে হয় শিক্ষার্থীদের। ভয়ে অনেক সময় শিক্ষার্থী স্কুলেও আসতে চায় না।

এটি লক্ষ্মীপুর রায়পুর উপজেলার ১০নং রায়পুর ইউনিয়নের চরপলোয়ান এলাকায় ডাকাতিয়া নদীর উপর অবস্থিত জরাজীর্ণ সাঁকো। সাঁকোটি চরপলোয়ান ও চরমুররী গ্রামের সংযোগ সেতু।

এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী জানান, প্রতিদিন স্কুল পারাপারে মৃত্যুর ঝুঁঁকি থাকে। তাই দোয়া-দরুদ পড়ে ঝঁকিপূর্ণ সাঁকো পার হতে হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, দুইটি গ্রামের সংযোগ এ সাঁকোটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। প্রতিদিন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীসহ শতশত মানুষ এ সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করে। এতে করে প্রতিদিনই জীবন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে দুই এলাকার মানুষদের।

পার্শ্ববর্তী চরপলোয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বেশি বিপাকে পড়তে হয়। বৃষ্টি ও পানিতে  সব সময় সাঁকোটি ঝুঁকিপূর্ণ থাকে। তাছাড়া সাঁকোটি নড়বড়ে হওয়ায় যে কোন সময় হাত ফসকে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। বৃদ্ধ ও রোগিদের ক্ষেত্রে তো রীতিমত বিশপোড় হয়ে দাঁড়ায় সেতুটি। তাই অতিদ্রুত সাঁকোটি সংস্কার বা যদি সম্ভব হয় তাহলে যাতে একটি কাঠের সেতু তৈরি করে দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আহবান জানাচ্ছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

চর ফলোয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবির জানান, সাঁকোটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আমাদের অনেক শিক্ষার্থী দুর্ঘটনার স্বীকার হয়। সাঁকোটি জরাজীর্ণ হওয়ায় অনেক সময় শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসতে পারে না। যদি সাঁকোটি নতুন করে সংস্কার অথবা একটি কাঠের ব্রিজ তৈরি হতো তাহলে কমলমতি শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতো।

রায়পুর ফ্রেন্ডস ফোরামের সভাপতি তুহিন চৌধুরী বলেন, জন গুরুত্বপূর্ণ এ সাঁকোটি দীর্ঘ দিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। অতিদ্রুত সাঁকোটি সংস্কার বা নতুন করে তৈরি না করলে দুই গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। তাই সাঁকোটি সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে।