কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে বৃষ্টির কারনে দূর্ভোগে যাত্রী্রা

50

সাইফুল ইসলাম মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ
দুপুর ১ টা থেকে টানা বৃষ্টির কারণে কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে চরম ভোগান্তিতে পরেছে ঘরমুখো মানুষেরা।
লঞ্চ ও ফেরিতে রয়েছে যাত্রীদের উপচে পড়া ভীড়। বৃষ্টিতে ভিজে দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীদের গন্তব্যের পরিবহনে উঠতে দেখা গেছে।

সরেজমিনে বৃহস্পতিবার(৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ৩ টার দিকে কাঁঠালবাড়ী ঘাটে অবস্থান করে দেখা গেছে, বৃষ্টিতে ভিজে ঘরমুখো মানুষের দূর্ভোগ।
বৃষ্টির সাথে হালকা বাতাস থাকায় পদ্মা দুপুরের পর থেকে কিছুটা উত্তাল রয়েছে। যাত্রীদের একটি বড় অংশকে ফেরিতে করে পার হতে দেখা গেছে। লঞ্চেও যাত্রীদের ভিড় রয়েছে। তবে শিমুলিয়া থেকে কাঁঠালবাড়ী ঘাটে এসে পৌছাতে লঞ্চগুলোর সময় লাগছে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কিছুটা বেশি। লঞ্চের চালকেরা জানিয়েছেন, মাঝ পদ্মায় প্রচন্ড স্রোত থাকায় সময় বেশি লাগছে পদ্মা পার হতে।

লঞ্চ ও ফেরিতে যাত্রীদের ভীড় বেশি থাকায় ফেরির খোলা স্থান ও লঞ্চের উভয় পাশের বাড়ান্দায় দাঁড়িয়ে আসতে হচ্ছে যাত্রীদের। ফলে ভিজতে হচ্ছে বৃষ্টিতে।

গোপালগঞ্জগামী যাত্রী শাহআলম বলেন,’বৃষ্টির কারনে লঞ্চের বাড়ান্দায় দাঁড়িয়ে থেকে ভিজতে হয়েছে। এছাড়া ঘাটে নেমে বৃষ্টিতে ভিজে পরিবহন স্ট্যান্ডে যেতে হচ্ছে।’

অপর এক যাত্রী বলেন,’ঢাকা থেকেই ছাতা নিয়ে বের হয়েছি। কিন্তুর বৃষ্টির দাপটে ভিজতে হয়েছে। সব মিলিয়ে এবারের ঈদ যাত্রায় বেশ ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।’

বিআইডব্লিউটিসি’র কাঁঠালবাড়ী ঘাট সূত্র জানিয়েছে, ঈদে যাত্রীচাপ মোকাবিলায় ৮৭ টি লঞ্চ, ১৭ টি ফেরি ও ২ শতাধিক স্পিডবোট রয়েছে। বৃষ্টি হওয়ায় স্পিডবোটের পরিবর্তে লঞ্চ ও ফেরিতেই যাত্রীদের পার হতে দেখা গেছে।

বিআইডব্লিউটিসি’র কাঁঠালবাড়ী লঞ্চ ঘাটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আক্তার হোসেন বলেন,’ বৃষ্টি হলেও বাতাস না থাকায় পদ্মা শান্ত রয়েছে। লঞ্চে সকাল থেকেই যাত্রীদের ভীড় রয়েছে।’

ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম মিয়া জানান,’ ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ১৭ টি ফেরি সকাল থেকে চলছে। পরিবহনের পাশাপাশি প্রচুর যাত্রী ফেরিতে পার হচ্ছে।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক বলেন, ‘যাত্রীদের নির্বিঘ্নে ঘরে ফেরা নিশ্চিত করতে কাঁঠালবাড়ী ঘাটে প্রশাসনের চারস্তরের নিরাপত্তা রয়েছে। পুলিশ, র্যাব, আনসার, ফায়ার সার্ভিস ও ভ্রাম্যমান আদালতের টিমের সার্বক্ষনিক মনিটরিং রয়েছে ঘাট এলাকায়।’