করোনাভাইরাস মাত্র ১০০ ঘণ্টার মধ্যে নির্মূল করে ফেলা সম্ভবঃ ট্রাম্পকে ড. মূসার চ্যালেঞ্জ

7535

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় অস্ত্র ব্যবসায়ী ড. মূসা বিন শমসের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ করে বলেছেন যে করোনাভাইরাস এর জীবানু মাত্র ১০০ ঘণ্টার মধ্যে পৃথিবী থেকে নির্মূল করে ফেলা সম্ভব। এ ব্যাপারে একটি দিক নির্দেশনা নির্ভর সম্পূর্ণ গাইডলাইন তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে উপস্থাপন করেছেন এমন তথ্য দিয়ে মার্কিন সংবাদ সংস্থা ইউএনআই গত ৪ মে ২০২০ তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে।

সাম্প্রতিক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে এক বার্তায় তিনি বলেন, কোভিড -১৯ মানব সভ্যতা ধ্বংস করতে অদৃশ্য শক্তি হিসাবে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। প্রাণঘাতী অস্ত্রের চেয়ে করোনাকে আরও ভয়ঙ্কর হিসাবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, সভ্যতার এই ক্রান্তিকালীন সময়ে বিশেষত নাসার বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসতে হবে সঠিক সমাধান নিয়ে। অন্যথায় ২০২০ সালের শেষের দিকে মানব সভ্যতা চরম বিপর্যয়ের মুখোমুখি এসে দাঁড়াবে। কোন উদ্যোগই এই পৃথিবীকে রক্ষা করতে পারবে না। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় বিশ্বব্যাপী লকডাউন সিস্টেম মোটেই কোন সঠিক সিদ্ধান্ত নয় বলে তিনি মনে করেন কারন লকডাউন সিস্টেম বিশ্ব অর্থনীতিকে ক্রমান্বয়ে চ্যালেঞ্জের দিকে নিয়ে যাচ্ছে অন্যদিকে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের জীবন যাত্রায় লকডাউনের প্রভাব ইতোমধ্যেই লক্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

ইউএনআই আরও প্রকাশ করেছে যে, ড. মূসা বিন শমসের এবং তার দীর্ঘকালীন ব্যবসায়িক পার্টনার বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর অস্ত্র ব্যবসায়ী আদনান কাশোগি বহু দেশকে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আধুনিকীকরণের মাধ্যমে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সহায়তা করেছেন। আদনান কাশোগি উত্তর কোরিয়া ও ইরানকে বিশ্বের সর্বাধিক পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসাবে গড়ে তুলেছেন।

ড. মূসা বিন শমসের আত্মবিশ্বাসের সাথে বলেছেন যে মার্কিন সংস্থা নাসা সালফার ডাস্টের সাথে নিউক্লিয়ার/ইউরেনিয়াম ডাস্টের মিশ্রন করে বিশেষ এক ধোঁয়া তৈরি করে আমেরিকান এয়ার ফোর্সের মাধ্যমে এই ধোঁয়াটি সারা বিশ্বে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ফুট উপর থেকে ছড়িয়ে দিতে পারে তাহলে মাত্র ১০০ ঘণ্টার মধ্যে বিশ্বথেকে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। বিজ্ঞানীরা মানব স্বাস্থ্য এবং পরিবেশের ঝুঁকি এড়াতে এর সাথে আরও কিছু উপাদান যুক্ত করতে পারেন।

তিনি বলেন, বিশ্ব নেতৃবৃন্দের ধারণা নেই যে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীরা যারা সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে গেছেন তারা আবারও আক্রান্ত হবে্ন। সুতরাং, বিশ্ব নেতাদের জন্য বিজ্ঞানীদের পরামর্শের ভিত্তিতে ড. মূসা বিন শমসেরের এই অভূতপূর্ব তত্ত্বটি বাস্তবায়নের জন্য সর্বসম্মতভাবে এগিয়ে আসার সময় এসেছে। অন্য কোনও চিকিৎসা এবং কোনও ওষুধই করোনা ভাইরাস নামক এই বিপজ্জনক অনিবার্য মহামারী থেকে এই বিশ্বকে বাঁচাতে পারবে না। বিশ্ব নেতাদের অবশ্যই জানতে হবে আমেরিকান এবং ইউরোপীয় আকাশ ইতিমধ্যে দূষিত হয়ে গেছে।

ইউএনআই জানায় বাংলাদেশী ধনকুবের ড. মূসা বিন শমসের বলেছেন, পারমাণবিক উপাদান নিয়ে কাজ করা খুব বিপজ্জনক। তবে তিনি বিজ্ঞানীদের পরামর্শ দিয়েছেন যে তারা যেন দীর্ঘমেয়াদে মানব স্বাস্থ্যের উপর পারমাণবিক উপাদানের ক্ষতিকর বিক্রিয়া প্রতিহত করতে আরও কিছু উপাদান যুক্ত করেন যা তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ইতিমধ্যে অবগত করেছেন। ড. মূসা বিন শমসের আরও বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও তার দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী নোংরা ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট এর কাছে জানতে চেয়েছেন, বিশ্বব্যাপী দুর্যোগের মুহূর্তে মার্কিন সংস্থা এফবিআই এবং সিআইএ কেন চুপ করে রয়েছে। তিনি গভীর অনুতাপের সাথে বলেন, করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রন করতে মার্কিন সরকারের লক্ষ-কোঁটি ডলার যেখানে পর্যাপ্ত নয় সেখানে উন্নয়নশীল, স্বল্পোন্নত ও গরীব রাষ্ট্রগুলোর কাছে করোনা অভিশাপ হয়ে দেখা দিবে। আমেরিকান এজেন্সিগুলিকে প্রচলিত ধ্যানধারণা থেকে বের হয়ে এসে পরিস্থিতি অনুযায়ী সঠিক কাজটি করা উচিত বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, জাতিসংঘ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা মেকাবেলায় মোটেই সক্ষম নয়। তারা বিশ্বাবাসিকে কেবল মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে। তাই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকেই সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এর বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। অবশেষে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বলেন, তিনি যদি এটি বাস্তবায়ন না করেন তাহলে কেয়ামতের অশনি সংকেত বিশ্ববাসীর জন্য অপেক্ষা করছে। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে তার প্রস্তাবনা অনুযায়ী দ্রুত কাজ শুরুর আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই মুহূর্তে তিনি (মার্কিন প্রেসিডেন্ট) একমাত্র পরাশক্তি, যিনি এই বিশ্ব ও মানবতা রক্ষার জন্য এককভাবে কাজ করতে পারেন।

এ ব্যাপারে ড. মূসা বিন শমসের এর ঢাকা কার্যালয়ের একজন উচ্চপদস্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর সাথে ড মূসার সম্পর্ক অনেক পুরনো। বর্তমানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সার্বক্ষণিক ভাবে ড. মূসার সাথে যোগাযোগ রাখছেন এবং এর বাস্তবায়নে তারা অনেকদুর এগিয়ে গেছেন।

তথ্যসুত্রঃ https://bit.ly/UNIIINDIA