লকডাউন: স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে রাজধানীর কলকারখানা

0

করোনার ঊর্ধ্বমুখী পরিস্থিতিতে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী রাজধানীসহ সারাদেশে চলছে লকডাউন। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কারখানা খোলা রাখার সুযোগ দেয়া হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই শ্রমিকেরা রাজধানীর বিভিন্ন কারখানায় কাজ করছেন।
সোমবার সকালে রাজধানীর শিল্প এলাকা তেজগাঁওয়ে গিয়ে দেখা যায়, নিয়ম মেনে সব কলকারখানা খোলা রাখা হয়েছে। দেশে চলমান করোনা মহামারিতে লকডাউনের দ্বিতীয় পর্যায়ে শ্রমিকেরা ভোর থেকে কাজে যোগ দিয়েছেন।
প্রায় সব কারখানার প্রবেশমুখেই তাপমাত্রা পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশপাশি হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের পর কর্মীদের ভেতরে প্রবেশ করানো হচ্ছে।
করোনার প্রকোপ বাড়ায় সোমবার থেকে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় ধাপের লকডাউন। গত বছরের মার্চে লকডাউনে কারখানা খোলা বা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল। কিন্তু এবার শুরুতেই কারখানা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেন পোশাকশিল্প কারখানার মালিকরা।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে এরই মধ্যে পোশাকশিল্পের মালিকরা বৈঠক করেছেন। সব কর্মী একই সময়ে গাদাগাদি করে যাতে কারখানায় প্রবেশ না করে, সেজন্য কয়েকটি ভাগে শিফট শুরু করেছেন তারা।
গত বছরে করোনার বৈশ্বিক তাণ্ডবে পোশাক শিল্প ক্ষতির মুখে পড়ে। এবার আবারো প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় ইউরোপ-আমেরিকার বিভিন্ন দেশে লকডাউন শুরু হয়েছে। তাই বাংলাদেশের অর্থনীতির স্বার্থে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কারখানা চালু রেখে টিকে থাকাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা।
বাংলাদেশের রফতানির ৮৬ শতাংশের জোগান দেয় তৈরি পোশাকশিল্প। এ খাতে ৪০ লাখ শ্রমিক কাজ করেন। এদের মধ্যে মাত্র দশমিক ৩ শতাংশ শ্রমিক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানান বিজিএমইএ’র সভাপতি ড. রুবানা হক।
রোববার তিনি বলেন, আমাদের প্রতিটি কারখানায় শ্রমিক প্রবেশের সময় ভাগ করে দেয়া হয়েছে। অফিসে যারা কাজ করবেন, সেখানে যারা না গেলে নয় তারাই যাবেন। এক্ষেত্রে কী করতে হবে, যারা অফিস করবেন তাদের জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করতে হবে মালিকদের।