রায়দিঘি ও মগরাহাট বিধানসভা কেন্দ্রে অশান্তি, অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে

0

রায়দিঘিতে সোমবার রাত থেকে বোমাবাজি চলছে। সিপিএম দলের নির্বাচনী এজেন্টদের বুথে বসতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনই অভিযোগ করেছেন রায়দিঘির সংযুক্ত মোর্চা সমর্থিত সিপিএম প্রার্থী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়। তিন বলেন, “প্রশাসনের দায়িত্ব শান্তিতে নির্বাচন করানো। সেটা হচ্ছে না। আমাদের পোলিং এজেন্টদের বুথে বসতে দেওয়া হচ্ছে না। সোমবার সারা রাত ধরে বোমাবাজি চালিয়েছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা।”
এদিকে এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। দ্বিতীয় দফায় নন্দীগ্রামে এই একই অভিযোগ এনে ছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সেখানকার বয়াল ৭ নম্বর বুথে গিয়ে ভোট দনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করে নির্বাচন কমিশনার কাছে চিঠি লিখেছিলেন। নিজেও ২ ঘণ্টা আটকে ছিলেন বয়ালের ৭ নম্বর বুথে।

এদিকে মগরাহাট বিধানসভা কেন্দ্রের এইএসএফ প্রার্থী মঈদুল ইসলাম অভিযোগ করেন তাঁকে বুথে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। তিনি বুথের বাইরে ধর্নায় বসেছেন। মঈদুল ইসলামের অভিযোগ, “মগরাহাট খুবই সমস্যা সংকুল জায়গা। দীর্ঘদিন ভোটারদের ভোট দিতে দেওয়া হয়নি এখানে। আজ তৃণমূলের কর্মীরা ভোটারদের বুথে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। ভোট প্রভাবিত করা হচ্ছে। ১৮৫ নম্বর বুথে এইএসএফ-এর বুথে এজেন্টদের ঢুকতে বাধা দেয় তৃণমূলীরা। তারপর সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়ে বুথে এজেন্ট বসিয়ে দিয়ে এসেছি। আমি একজন প্রার্থী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি ২ ঘণ্টা বয়ালের বুথে বসে থাকতে পারেন , তাহলে আমি কেন পারবো না? এখানেও তো তৃণমূলের লোকেরা ভোটারদের ভোটদানে বাধা দিচ্ছে।”

এদিকে তৃতীয় দফায় ভোট দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৩০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। জারি করা হয়েছে তিন দফার সব বুথে ১৪৪ ধারা। তার পরেও কী করে আবার তৃতীয় দফায় নির্বাচন শুরুর আগের রাট থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘি ও মগরাহাট বিদ্ধানসভা কেন্দ্রে অশান্তি হচ্ছে সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবে নির্বাচন কমিশনের তরফে সমস্ত রকমের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার পর শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে কী করে অশান্তির পরিবেশ সৃষ্টি হলো সেটাই এখন দেখার। তবে নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো রকম প্রতিক্রিয়া দেয়নি ।