ত্বকের ধরণ বুঝে নিন ঘরোয়া উপায়ে

45
0

সবসময়ই শুনি ত্বকের যত্ন নেওয়া উচিত। ত্বকের যদি পরিচর্চা না করা হয় তাহলে ত্বক খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। যেমন ত্বকে দেখা দিতে পারে ব্রণ, ফুসকুরি, মেচতা, বলিরেখার মতো নানা সমস্যা। তাই আমাদের সবসময় ত্বকের পরিচর্যা করা উচিৎ।

ত্বকের ধরণ না জেনে যদি পরিচর্চা করা হয় তাহলে ফল হতে পারে বিপরীত। অর্থাৎ ত্বক সুন্দর হওয়ার বদলে ত্বকে দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। তাই ঘরোয়া উপায়ে জেনে নিন আপনার ত্বকের ধরণ। ত্বক সাধারণত পাঁচ ধরনের হয়- শুষ্ক, স্বাভাবিক, মিশ্র, সংবেদনশীল, ও তৈলাক্ত।

১। শুষ্ক ত্বক 
শুষ্ক ত্বক দেখতে অত্যন্ত অনুজ্জ্বল হয়। এই ধরনের ত্বকে খুব তাড়াতাড়ি বলিরেখা পড়ে যায়। শীতকালে এই ত্বকের শুষ্কতা আরও বেড়ে যায়। এই ধরণের ত্বকের ক্ষেত্রে খুব গরম জল বা খুব ঠাণ্ডা জলে মুখ পরিষ্কার করবেন না। ত্বকের মরা কোষ তোলার জন্য অপনি প্রতিদিন স্ক্রাবার ব্যবহার করতে পারেন। তারপর ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। শুষ্ক ত্বকে প্রায় সবসময় ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হয়। তা না হলে ত্বকে তাড়াতাড়ি বলিরেখা পড়ে যায়।

২। স্বাভাবিক ত্বক
স্বাভাবিক ত্বক মসৃণ ও সুন্দর হয়। তা বেশি তৈলাক্ত হয় না। আবার বেশি শুষ্কও হয়না। তাই এই ধরণের ত্বক শুধু পরিষ্কার করে ,টোনিং আর ময়েশ্চারাইজিং করলেই হয়ে যায়। তাহলেই ত্বক ভালো থাকে।

৩। তৈলাক্ত ত্বক
তৈলাক্ত ত্বকে বলিরেখা কম পড়ে। এবং সাধারণত এই ত্বকে ব্রণ, ফুসকুরির মত নানা সমস্যা দেখা দেয়। তাই তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরা ত্বকে চন্দন, মুলতানি মাটি ব্যবহার করতে পারেন। সাধারণত ফোমিং যুক্ত ফেসওয়াশ এই ধরণের ত্বকের জন্য ভালো।

৪। মিশ্র ত্বক
কিছুটা স্বাভাবিক ধরণের হলেও, এই ত্বকে থুতনি ও নাকের চারপাশে তৈলাক্তভাব দেখা যায়। তাই এই ত্বকের খুব সাবধানে পরিচর্চা করতে হয়। কারণ এই ত্বকের ধরণ দু’রকমের হয়। সাধারণত এই ধরণের ত্বকে আপনি ফেসওয়াস ব্যবহার করে, ময়েশ্চারাইজার লাগাতে পারেন। কিন্তু থুতনির চারপাশে বা নাকের চারপাশে ময়েশ্চারাইজার লাগাবেন না।

৫। সংবেদনশীল ত্বক
সংবেদনশীল ত্বকের পরিচর্চা করা সবচেয় কঠিন। কারণ এই ত্বকে সব ধরণের ক্রিম বা ফেসওয়াস ব্যবহার করা যায় না। তাই এই ধরণের ত্বকের ক্ষেত্রে শসার রস ব্যবহার করতে পারেন। এই ধরণের ত্বকে ভুলেও স্ক্রাবার ব্যবহার করবেন না। ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে এই ধরণের ত্বকের যত্ন নিন।