শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করবেন শেখ হাসিনা

2
0

চলতি বছরের মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন। এ অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো আচার্য হিসেবে যোগ দেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রবীন্দ্র স্মৃতিবিজড়িত শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নির্মিত ‘বাংলাদেশ ভবন’-এর উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জানা গেছে, গত ১৭ এপ্রিল (মঙ্গলবার) ‘বাংলাদেশ ভবন’-এর কাজ খতিয়ে দেখতে বিশ্বভারতীয় থেকে ঘুরে এসেছে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল। ১২ জনের ওই প্রতিনিধি দলে ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। এছাড়া ১৮ এপ্রিল (বুধবার) বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য সবুজ কলি সেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন তারা। বৈঠকেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শান্তিনিকেতন সফর সম্পর্কে বিশ্বভারতীর উপাচার্যকে অবগত করা হয়।

এদিকে ভারত থেকে প্রকাশিত ‘বর্তমান’ পত্রিকায় এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মে-জুনে ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্র প্রধানদের বৈঠকের (সিএইচওজিএম) মধ্যেই মোদি এবং হাসিনার আলোচনার সময় ওঠে আসে তিস্তাসহ একাধিক প্রসঙ্গ।

ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের ভিত্তি আরও দৃঢ় করতে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বাংলাদেশ ভবন’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস করে পার্শ্ববর্তী দেশদুটি। বাংলাদেশ সরকার ‘বাংলাদেশ ভবন’-এর জন্য বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আড়াই বিঘা জমি চেয়ে নিয়েছিল। এছাড়া ভবন নির্মাণের বাকি ব্যয়ভার বাংলাদেশ সরকারই বহন করছে। যার জন্য ২৫ কোটি রুপি বরাদ্দ করে বাংলাদেশ।

২০১৪ সালের মার্চে একটি চুক্তি সই হয়। ২০১৬ সালে থেকে ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পটি শেষের পথে। তবে ভবনের কিছু পরিবর্তনের জন্য বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। ভবনের সামনের লিফট সরিয়ে পেছনের দিকে নেয়া ছাড়াও বাংলাদেশ ভবনের অভ্যন্তরে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদলে একটি শহীদ মিনার তৈরির প্রস্তাব দেয়া হয়।

এছাড়া বাংলাদেশ ভবনে থাকবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধসংক্রান্ত নানা ইতিহাস, গ্রন্হাগার, মিলনায়তন, বাংলাদেশ সম্পর্কে গবেষণার নানা তথ্য, চিত্রশালাসহ বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নানা স্মারক। থাকবে রবীন্দ্রনাথের বাংলাদেশ অবস্থানের নানা তথ্য, ইতিহাস, স্মারক ও চিত্রাবলি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here