রিমান্ড শেষে কারাগারে, ঘুষের টাকাসহ গ্রেফতার প্রধান নৌ-প্রকৌশলী নাজমুল

25
0

ঘুষের পাঁচ লাখ টাকাসহ গ্রেফতার নৌপরিবহন অধিদফতরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার ও চিফ সার্ভেয়ার ড. এসএম নাজমুল হককে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম এইচমএম তোয়াহা এ আদেশ দেন।
এদিন একদিনের রিমান্ড শেষে আসামিকে আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

আবেদনে বলা হয়, চলতি মাসের ১৯ এপ্রিল আসামির একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ২২ এপ্রিল তাকে রিমান্ডে নেয়া হয়। রিমান্ডে তিনি মামলা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। যা যাচাই-বাছাই চলছে। আসামির জামিন হলে পলাতক হওয়াসহ মামলার আলামত নষ্ট করার সম্ভাবনা রয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, চলতি মাসের ১২ এপ্রিল সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে দুদকের একটি টিম সেগুনবাগিচার সেগুন রেস্টুরেন্ট থেকে তাকে গ্রেফতার করে। ওই দিনদুপুরে দুদকের সহকারী পরিচালক আবদুল ওয়াদুদ বাদী হয়ে নাজমুল হকের বিরুদ্ধে রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। বর্তমানে তিনিই মামলাটি তদন্ত করছেন।

এর আগে গত বছরের ১৮ জুলাই ঘুষের পাঁচ লাখ টাকাসহ নৌপরিবহন অধিদফতরের তৎকালীন চিফ ইঞ্জিনিয়ার ও চিফ সার্ভেয়ার একেএম ফখরুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছিল দুদকের টিম। ফখরুল বেশ কিছুদিন জেল খেটে পরে জামিনে মুক্ত হন। তার পথ ধরেই আরেক চিফ সার্ভেয়ার এবার ঘুষের জালে ধরা পড়লেন।

সূত্র আরও জানায়, মেসার্স সৈয়দ শিপিং লাইন্স নামে একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মো. হাসান ইমাম দুদকের কাছে অভিযোগ করেন যে, তাদের কোম্পানির একটি জাহাজের নকশা অনুমোদন ও আকেটি জাহাজের নামকরণে অনাপত্তিপত্র দিতে গড়িমসি করছিলেন ড. নাজমুল হক। একপর্যায়ে তিনি এ কাজের জন্য ১৫ লাখ টাকা দাবি করেন।

তার চাওয়া ১৫ লাখ টাকার মধ্যে প্রথম কিস্তিতে পাঁচ লাখ টাকা দেয়া হয়। দ্বিতীয় কিস্তির পাঁচ লাখ টাকা দেয়ার কথা ছিল বৃহস্পতিবার। ওই টাকা নেয়ার জন্য নাজমুল হক সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সেগুন রেস্টুরেন্টে হাজির হন।

দুদকের টিমও ঘুষ লেনদেনের তথ্য আগাম জানতে পেরে সেখানে হানা দেয়। আর পাঁচ লাখ টাকা নেয়ার সময় হাতেনাতে আটক হন নাজমুল।