করোনায় মানুষের পাশাপাশি কুকুরের খেয়াল রাখছেন সাংবাদিক আবুল হোসেন মজুমদার

9

খান মেহেদীঃ

ওয়েষ্ট ধানমন্ডির বেওয়ারিশ কুকুরগুলোর খেয়াল রাখচ্ছেন মো: আলী হোসেন (ভাগিনা আলী) ও সাংবাদিক আবুল হোসেন মজুমদার। অনেকে বলে আসলে প্রাণীদের মধ্যে কুকুর খুবই প্রভুভক্ত। একথা আমরা সবাই জানি। মালিকের জন্যে জীবনও বিলিয়ে দিতে পারে এই প্রাণীটি।

পৃথিবীতে এমন দৃষ্টান্ত একেবারে কম নেই। এসব কারণেই হয়তো কুকুরের প্রতি মানুষের একটি আজন্ম ভালোবাসা। বিশেষ করে এই প্রাণীটি আগে অনেকের বাসা-বাড়িতে দেখা যেতো। কিন্তু এখন আর এরকম চিত্র দেখা যায় খুবই কম। তবে এখনো অকৃত্রিম ভালবাসা রয়েছে। সেই ভালবাসা দেখিয়ে যাচ্ছেন ওয়েষ্ট ধানমন্ডি বাড়ীর মালিক সৌসাইটির নেতা মো: আলী হোসেন (ভাগিনা আলী)ও সাংবাদিক নেতা আবুল হোসেন মজুমদার ব্যাগ ভরে পাউরুটি নিয়ে বিভিন্ন গলির মধ্য ঘুরে ঘুরে তারা কুকুদের খাওয়ার দিচ্ছেন। করোনা ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষ পেতে সারাদেশে সরকারি, বেসরকারি অফিস, দোকান পাট,ব্যবসা, বাজার, হোটেল রেস্তোরা, বেকারিসহ সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে।

তারা কুকুর খোঁজে বের করে খাওয়া দিচ্ছেন। তখন মানুষ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিলেন। অনেকে বলছিলেন এখনো ভালো মানুষ আছে। এ ব্যাপারের ভাগিনা আলী বলেন, কয়েক দিন আগে একটি কুকুর অসুস্থ অবস্থায় রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখি। কুকুরটিকে উদ্ধার করে নিজেই চিকিৎসা করে এখন অনেকটা সুস্থ আছেন।

বর্তমান করোনার পরিস্থিতিতে চারিদিকে দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ কুকুর গুলো খাবার পাবে কথায়। আমি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেই এবং প্রতিদিন কুকুর গুলোকেও খাওয়ার ব্যাবস্থা করেছি। সাংবাদিক নেতা আবুল হোসেন মজুমদার বলেন কুকুর গুলি বোবা জানোয়ার তারা বলতে না পারলেও আমাদের বুজা উচিত তাদের ও ক্ষুধা লাগে তাই আমরা সকলে এগিয়ে আসা উচিত।
তিনি বলেন, যতটুকু করার চেষ্টা করছি এটা পুরোপুরিটাই মানবিকতা। পশুপাখি ছাড়াও মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। করোনাভাইরাস ছাড়াও দুর্ঘটনাতেও মৃত্যু হতে পারে। মারা গেলে এই টাকাপয়সা কী হবে? তাই চেষ্টা করি যতটুকু পারি প্রয়োজনে পাশা থাকার। সেটা মানুষ হোক বা প্রাণী হোক।