সখি ভালোবাসা কারে কয়-“বাগদত্তা স্ত্রী অপেক্ষা করল ১৮ বছর!”

3

যার ভালোবাসা ও বিশ্বাস হিমালয়ের উচ্চতাকেও হার মানিয়েছে! অবিশ্বাস্য হলেও এটাই সত্য। নাটক-সিনেমা কিংবা রূপকথায় নয়, বাস্তবে। ইসমাইল নামক যুবকের সাথে বিয়ের কথা চূড়ান্ত হয় ইকরামা নামের যুবতীর৷ বিধিবাম! বিয়ের আগেই যুবক জেলে যায়। ফিলিস্তিনি বীরযোদ্ধা।
শুরু হয় অপেক্ষার পালা। আরবিতে প্রবাদ আছে, “আল ইনতিজারু আশাদ্দু মিনাল কাতল- অপেক্ষা করা মৃত্যুর চেয়ে কষ্টকর।”
যুবতী অপেক্ষা করতে করতে মধ্যবয়েসী নারী হয়ে যায়। সেসময়ে দুজনের মিলন হলে হয়তো আজকে তাদের মেয়ের বিয়ে দিতে পারত!
প্রতিটা দিন, প্রতিটি রাত কেটেছে তার স্মরণে।পরিবারের লোকজন, বান্ধবী, আত্মীয়স্বজন সবাই বলেছে আরও ভালো পাত্র পাওয়া গেছে, বিয়ে দিয়ে দিচ্ছি। আর কত এভাবে?!
কিন্তু মেয়েটির ভালোবাসার গভীরতা ও বিশ্বাসের প্রগাঢ়তা ছিল হিমালয়ের থেকেও উঁচু। সবর ও ধৈর্যের সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দীর্ঘ ১৮ বছর পর স্বামীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিচ্ছেন। ইসমাইলের দাড়িগুলোও সাদা হয়ে গেছে!
ইজরাইলের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ইসমাইল আবু আইশাহ এবং তার বাগদত্তা ইকরামা আইশাহ’র গল্প যেন রুপকথার গল্পকেও হার মানায়।