করোনা ভাইরাসকে পুঁজি করে বাকেরগঞ্জের গোমা ফেরীঘাট খেওয়া পারাপারে অধিক ভাড়া আদায়, প্রতিবাদ করায় সাংবাদিকের উপর হামলা

74

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি খান মেহেদীঃ

সেচ্ছাচারিতা, অত্যাচার আর জুলুমের অপর নাম বাকেরগঞ্জের গোমা খেওয়া ও ফেরিঘাট। সরকারি নিয়মকে তোয়াক্কা করে করোনা ভাইরাসকে পুঁজি করে খেওয়া পারাপারে যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে অধিক ভাড়া। বাকেরগঞ্জে উপজেলা দুধাল ইউনিয়নের গোমা খেয়া ঘাট থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ দুধাল, ফরিদপুর, নলুয়া, গারুড়িয়া ও কলসকাঠীসহ বিভিন্ন এলাকায় চরাদি, চরামদ্দি ও বরিশালসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে। প্রতিনিয়ত প্রতারিত ও হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন এই ঘাট দিয়ে যাতায়াতকারি যানবাহনের চালকগণ, যাত্রী ও সাধারণ জনগণ। এ যেন দিনে দুপুরে চাঁদার হাট বসেছে। দিনটা যেমন তেমন সন্ধ্যা হলে ইজারাদাদের চাঁদবাজী আরও বেপরোয়া গতিতে বেড়ে যায় কয়েকগুন ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাকেরগঞ্জের গোমা ফেরীঘাট খেওয়া পারাপারে সরকারি নিয়ম-কানুনের কোন তোয়াক্কা না করে অত্যাচার জুলুম ও স্বেচ্ছাচারিতার অনেক দৃশ্য। করোনা ভাইরাসকে পুঁজি করে যাত্রী সাধারণের উপর চালানো হচ্ছে অত্যাচারের স্ট্রীম রোলার। যাত্রীদের কাছ থেকে সরকারি নিয়মের বাইরে তোলা হচ্ছে দুই থেকে তিন গুণ টাকা। ওই এলাকার প্রভাবশালীরা নিয়ন্ত্রণ করছে খেয়া ঘাটটি। প্রতিবাদ করতে গেলেই শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত হতে হচ্ছে প্রতিবাদ কারিকে। এমনকি তাদের লাঞ্ছনার হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না সাংবাদিক কর্মীরাও। ঘাট মালিকের সেচ্ছাচারিতা, অত্যাচার আর জুলুমের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছে যাতায়াতকারি যানবাহনের চালকগণ, যাত্রী ও সাধারণ জনগণ।