অতিরিক্ত লোডশেডিং অসন্তুষ্টি বাকেরগঞ্জ এলাকাবাসী

35

ভয়াবহ লোডশেডিং বিদ্যুৎ আসে বিদ্যুৎ যায়

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ দেশব্যাপী ভয়াবহ রূপ নিয়েছে লোডশেডিং। বিদ্যুৎ এখন এই আসে, এই যায়। আর এ আসা-যাওয়ার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বাকেরগঞ্জের বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এবার লকডাউনের ছুটির দিনগুলোয়ও ভয়াবহ মাত্রার লোডশেডিংয়ের কারণে গ্রাহকদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। যেখানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন অফিস, শিল্প কারখানা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি সেখানে বিদ্যুতের এ ঘাটতি কেন- তা সহজে বোধগম্য নয়। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের কল কারখানাগুলোয় গ্যাস সরবরাহের কারণে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার মেগাওয়াটের ওপর বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হচ্ছে। এ ছাড়া জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র মেরামতের কারণে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম উৎপাদন হচ্ছে। এ কারণে লোডশেডিং হচ্ছে। তবে তা শীঘ্রই ঠিক হয়ে যাবে।

বাকেরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এখন ঘণ্টায় নয়, প্রতি ১০ মিনিটে একবার বিদ্যুৎ আসছে আর যাচ্ছে। কোথাও বিদ্যুৎ গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আসে না। কালিগঞ্জ বাজারের বাসিন্দা সোহাগ মোল্লা বলেন, এখানে সকাল থেকেই লোডশেডিং শুরু হয়। এ লোডশেডিং চলতে থাকে। প্রতি ১০ মিনিটে একবার করে বিদ্যুৎ আসে আবার চলে যায়। এতে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ ছাড়া ফ্রিজে রাখা খাবার ঠিকমতো ঠাণ্ডা না হওয়ায় তা পচে যাচ্ছে।’ অনেকেই অভিযোগ করেন,লকডাউনের কারণে বাজারে বা বাহিরে না গিয়ে বাসায় ই থাকতে হচ্ছে, বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকারে বাসায় থাকাটা খুবই বিরক্তিকর।এছাড়াও রমজানে সেহরি ও ইফতার এবং তারাবি নামাজ পড়তে হচ্ছে ঘরে অন্ধকারে। অন্যদিকে বেহাল দশা বাকেরগঞ্জের বাইরের এলাকাগুলোয়ও।
গত কাল টানা কয়েক ঘণ্টা লোডশেডিং হয়েছে। আজো দুপুর সকাল থেকে লোডশেডিং শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলে।এ বিষয়ে এলাকার অনেকে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে বেশ কয়েকবার ফোন করলেও কেউ সাড়া দেননি। কিন্তু পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোর কারিগরি সমস্যার কারণে গ্রামে লোডশেডিং বেশি হচ্ছে বলে দাবি বিদ্যুৎ বিভাগের।