বাকেরগঞ্জের গারুড়িয়া ইউনিয়নে জমি-জমা’র বিরোধ নিয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা, আহত-৫, থানায় অভিযোগ

16

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ বাকেরগঞ্জের গারুড়িয়া ইউনিয়নের জমি-জমার বিরোধ নিযে গত ৯ মে বিকেল সাড়ে ৪ টায় গারুড়িয়া ইউনিয়নের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে দাঙ্গা-হাঙ্গামা’র ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দাঙ্গা-হাঙ্গামাকারীদের হাতে ৫ জন গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বাকেরগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে চিকৎসা করায়। বর্তমানে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ ঘটনায় আহত সত্তারের ভাই আ. কাদের হাওলাদার বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সূত্রে জানা যায়, জমি-জমার জের ধরে সত্তার হাওলাদারের বসত ঘরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে একই গ্রামে আ. বারেক হাওলাদারের ছেলে বাসার হাওলাদার, সুলতান হাওলাদারের ছেলে সোহেল হাওলাদার, ফিরোজ খান, হানিফ হাওলাদারের ছেলে হুমায়ুন, মৃত. ফকির হাওলাদারের ছেলে সুলতান হাওলাদার, মৃত হাফেজ হাওলাদারের ছেলে জাফর হাওলাদার, মৃত হাফেস হাওলাদারের ছেলে হানিফ হাওলাদার, মৃত আহম্মেদ হাওলাদারের ছেলে বারেক হাওলাদারসহ অজ্ঞাত ৩/৪ জন কাদের ও তার পরিবারের উপর হামলা চালিয়ে গুরুত্বর আহত করে। আহতরা হলেন, মৃত আফছের হাওলাদারের ছেলে সত্তার হাওলাদার (৬০), আ. ছত্তার হাওলাদারের ছেলে ইমরান (২০) ও কলেজ পড়–য়া মেয়ে মরিয়ম আক্তার (১৬), আ. কাদের হাওলাদারের স্ত্রী সালেহা বেগম (৫৮)। মামলার বাদী কাদের হাওলাদার জানান, বাশার হাওলাদার ঢাকায় থাকে। যখনই বাড়িতে আসে তখনই এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালায়। তাদের সাথে আমাদের জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় বাশারের নেতৃত্বে একদল দাঙ্গবাহিনী আমাদের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে গালী গালাজ শুরু করে। তাদের প্রতিবাদ করতে গেলে সুলতান হাওলাদারের হুকুমে বাশার হাওলাদার খুন করার উদ্দেশ্যে সত্তার হাওলাদারকে দেশীয় ধারলো রামদা দিয়ে কোপ দেয়। এসময় সত্তার হাওলাদারের ডাক-চিৎকারে ইমরান, মামুন, মরিয়ম আক্তার, ছালেহা বেমগ সত্তার হাওলাদারকে বাঁচাতে গেলে তাদের উদ্দেশ্যে দাঙ্গাবাহিনীরা এলোপাথারী কোপাতে থাকে। এ ঘটনায় ইমরান, মামুন হাওলাদার ও আ. কাদের হাওলাদার রক্তাক্ত জখম হয়। পরে হামলাকারীরা ঘরের ভিতর প্রবেশ করে মালামাল লুটপাট, নগদ একলক্ষ পঞ্চাশ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আসামীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও তার পরিবার।

Sponsored