বরগুনায় করোনা উপসর্গ নিয়ে এক বৃদ্ধের মৃত

1

রিফাত হাসান সৈকত(বরগুনা জেলা প্রতিনিধি)
বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল থেকে পালানোর দশ দিন পরে বরগুনার আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে আবদুল লতিফ খন্দকার (৭০) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার করোনা ভাইরাসের মৃত্যুর খবরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইউএনও মনিরা পারভীন মৃত্যু আবদুল লতিফ খন্দকারের এলাকার দশ বাড়ী লকডাউন করে দিয়েছেন। ওইদিন দুপুরে ইউএনও মনিরা পারভীনের নেতৃত্বে করোনা প্রটোকল মেনে তার লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

জানাগেছে, উপজেলার আমতলী সদর ইউনিয়নের চলাভাঙ্গা গ্রামের বৃদ্ধ আবদুল লতিফ খন্দকার বাড়ীতে জ্বর, শ্বাস কষ্টে ভুগছিলেন। গত ১৩ মে তিনি আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে সময় মেডিকেয়ার হসপিস ও ডায়াগনিষ্টিক সেন্টারে এবিএম তানজিরুল ইসলামের প্রাইভেট চেম্বারে দেখান। ওই চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করেন।

ওইদিনই তিনি বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে যান। ওই হাসপাতালের চিকিৎসকদের কাছে তার করোনা ভাইরাসের উপসর্গ ধরা পরে এবং চিকিৎসকরা তাকে করোনা ভাইরাস নমুনা পরিক্ষা করানো পরামর্শ দেন। করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার কথা শুনেই তিনি ওই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে আসেন। পরে গত মঙ্গলবার তার অবস্থা বেগতিক দেখে পরিবারের লোকজন তাকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে করোনা ইউনিটের আইসোলেশন ভর্তি করেন। গত বৃহস্পতিবার ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা তার নমুনা সংগ্রহ করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগে পাঠায়।

গত চারদিন তিনি আমতলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। নমুনা প্রতিবেদন আসার পূর্বেই শনিবার সকালে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরন করেন। করোনা ভাইরাস উপসর্গ নিয়ে তার মৃত্যুর খবরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পরেছে।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন তার এলাকার দশ বাড়ী লকডাউন করে দিয়েছেন এবং করোনা প্রটোকল মেনে জানাযা শেষে তার লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করেছেন।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন বলেন, মৃত্যু লতিফ খন্দকারের এলাকার দশ বাড়ী লকডাউন করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন করোনা প্রটোকল মেনে জানাযা শেষে তার লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

 

Sponsored