করোনা যুদ্ধে দিন-রাত ১০টিম মাঠে নিয়ে ইউএনও মাসুমা আক্তার এর লড়াই : বরগুনা

2

নিজস্ব প্রতিবেকঃ সারাদেশে যখন করোনা নিয়ে জর্জরিত তখন প্রশসান চাইলেও পিছু পা হাটতে পারে না,যেখানে উল্লেখ আছে একজন ডাক্তার যিনি মানুষকে সেবা দেওয়ার জন্য তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিলো এক মহৎকর্মের জন্য কিন্তু করোনা তখন সেই মহৎকাজ থেকেও তাকে পিছু পা হাটতে শিখাইছে, সে ডাক্তার তখন নিজের সুরক্ষার জন্য কর্মস্থল ত্যাগ করতে বাদ্য হয়েছে মানবতা তখন স্বার্থপরতার কাজ করছে,ঠিক তখনি দেখা যায় গোঠা দেশের বিভাগীয় জেলা ডিসি মহোদয় ও উপজেলার ইউএনও এর নেতৃত্বে দেশ ও দেশের মানুষের পাশে দারানোর চিন্তা সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী।

তেমনি ভাবে দেখা গেছে বরিশাল বিভাগের বরগুনা সদর উপজেলার ইউএনও মাসুমা আক্তারকে দিন – রাত তার উপজেলার উপজেলাবাসীর পিছনে ছুটতে, তার অক্লান্ত পরিশ্রম করোনাকে জয় করতে শিখে নিয়েছে, নিজের চিন্তা যেখানে বাদ দীয়ে সে তার কঠোর মেধা দীয়ে তার উপজেলায় একটি টিম গঠন করেছেন ১০ জন সদস্য বিশিষ্ট এই টিমে উপজেলার বিভিন্ন কর্মকর্তা রয়েছেন তারাও তাদের ভালোবাসা প্রিয় মানুষ প্রিয় মুখ বরগুনা সদর উপজেলাবাসীর চিন্তা কারী জনাব মাসুমা আক্তার ইউএনও এর নেতৃত্বে তার এককথায় নিজেদের তার পাশে এনে দাড় করিয়াছেন স্বইচ্ছায় দেশ ও জাতির চিন্তা করে।

উল্লেখ্য আছে বিগত দিনেও ইউএনও মাসুমা আক্তার বরিশাল বিভাগের উজিরপুর ও গৌরনদী উপজেলার যখন উপজেলা নিবার্হী অফিসার এর দায়িত্ব পালন করছিলেন সেখানেও তিনি জনসেবায় নিজেকে সর্বদা প্রফুল্লিত রাখত, জনগণের সেবাই জানি তার একমাত্র কাম্য, সরকার হতে তাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সে দায়িত্ব পালনে সে কঠোর ভূমিকা পালন করছেন।

বর্তমানে ইউএনও মাসুমা আক্তার বরগুনা সদর উপজেলার উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেছে, সেখানে সে কঠোর ভূমিকা পালন করছেন যার সু নজর কেরেছে ডিসি মহোদয় এর নিকট সহ জনসাধারণের মাঝে,জনগণের মুখে একটাই কথা হোক করোনা হোক প্রাকৃতিক দূর্যোগ সরকারি তহবিল থেকে যখন যে রকম ত্রাণ অনুদান যা জনগণের জন্য যখন আসে আমাদের ইউএনও ম্যাডাম তখন তা আমাদের মাঝে বিতরণ করেন যে কোনো পরিস্থিতির মাঝে।

মাত্র ৬ মাসে বরগুনা সদরে যোগদানের মাথায় সবার মন জয় করতে সক্ষম হয়েছেন, তিনি বলেন সনামধন্য জনাব মোস্তাইন বিল্লাহ জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর দেয়া খাদ্য সামগ্রী সকলের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়াই আমার কাজ।

এ পর্যন্ত বরগুনা সদর উপজেলায় করোনাভাইরাস (কভিড ১৯) এর অনুকূলে যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ হয়েছে তা হল ৩৩ হাজার ১৫৩ পরিবারের মাঝে ১ লক্ষ ৬৫ হাজার ৭৬৫ জনকে ৩৪২.৫৩০ মে.টন চাল বিতরন,১৫ হাজার ৬শ ৬৩ পরিবারের ৭৮ হাজার ৩১৫ জনের মাঝে ১৪,৯৭৫০০ ক্যাশ টাকা ও ১ হাজার ৪শ ২০ পরিবারের ৭ হাজার ১০০ শিশুকে ৪,২৬,০০০ শিশু খাদ্য বিতরন করেন।

এ জেনো এক করোনা যুদ্ধে একজন ইউএনও ও তার ট্যাগ (তদারকি) অফিসারদের নিরলস প্রশংসনীয় চেষ্টা, জনাব মাসুমা আক্তার, মহামারীর এই দুর্দিনে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বরগুনার মানুষের পাশে কর্মব্যস্ত, ক্লান্তিহীন দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন একজন লেডি উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বরগুনা সদর, বরগুনা। তিনি অত্যন্ত জনবান্ধব, মেধাবী, সাহসী এবং কর্মীবান্ধব চৌকস কর্মকর্তা। করোনা মহামারীর শুরু থেকেই তিনি এক মুহূর্তের জন্যও মানুষকে বিপদে রেখে, নিজের বিপদ হতে পারে জেনেও পিছপা হয়নি। সরকার ঘোষিত লকডাউন, সামাজিক দূরত্ব এবং আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিতকল্পে অন্যান্য মানবিক কাজে নিজেকে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রেখেছেন।
তার কাজের মহিমায় উপজেলার সব অফিসার তাকে নিয়ে গর্ববোধ করে, ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা জানায়। তিনি নিজকে একজন গরিবের ইউএনও হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন।
অন্যদিকে বরগুনা সদর উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে করোনা ভাইরাস সংক্রমনে কর্মহীন, হতদরিদ্রের ত্রানবিতরণ, বিতরণ কার্যক্রম মনিটরিং, বাজার মনিটরিং, হোম কোয়ারেন্টাইন থাকা ব্যক্তিদের তদারকি, তাদের গতিবিধি তদারকি এবং অন্যান্য জেলা হতে আগত ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে উপজেলা প্রশাসন ও ইউপি চেয়্যারম্যান দের সাথে সহায়তা করা এবং সুষ্ঠু ভাবে প্রত্যেক হতদরিদ্রের নিকট ত্রান পৌঁছানোর লক্ষে উপজেলায় ১০ জন ট্যাগ (তদারকি) কর্মকর্তারা জিবনের মায়া ত্যাগ করে একান্তই নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মাসুমা আক্তার জানান, উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে কর্মহীন হয়ে পড়া সকল পরিবারগুলো যেন ত্রান সহায়তার আওতায় আসে এবং ইউপি চেয়্যারম্যানদের সাথে সহায়তা করে ত্রানবিতরন কার্যক্রম মনিটরিং করা সহ বাজার মনিটরিং, হোমকোয়ারেন্টনে থাকা ব্যক্তিদের তদারক করার লক্ষ্যে উপজেলায় ১০ জন কর্মকর্তাকে ট্যাগ অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং তারা তাদের উপর অর্পিত এই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন যথাযথ ভাবে। যার মধ্যে ১নং বদরখালী ইউনিয়নে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, জনাব বিভাস কুমার দাস। ২ নং গৌরীচন্না ইউনিয়নে উপজেলা সমন্বয়কারী, আমার বাডি আমার খামার ও পল্লী সজ্ঞয় ব্যাংক। ৩নং ফুলঝুরি ইউনিয়নে সমাজ সেবা কর্মকর্তা জনাব মোঃ আনিচুর রহমান, ৪নং কেওডাবুনিয়া ইউনিয়নে সহকারী প্রগ্রামার জনাব মিলনগাজী, ৫নং আয়লাপাতাকাটা ইউনিয়নে উপজেলা সহ শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব সুব্রত কুমার, ৬ নং বুড়িরচর ইউনিয়নে ডা: বেনজির আহমেদ, ভেটেরিনারি সার্জন, ৭ নং ঢলুয়া ইউনিয়নে জনাব রুহুল আমিন, সহ: মৎস্য কর্মকর্তা, ৮ নং ইউনিয়নে জনাব মো: ফিরোজ, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা, ৯নং ইউনিয়নে জনাবশহীদুল ইসলাম সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা , ১০ নং নলটোনা ইউনিয়নে জনাব, এসএম সোহেল, একাডেমিক সুপার ভাইজার ও পৌরসভায় জনাব আরিফুর রহমান সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

২ নং গৌরীচন্না ইউনিয়নের ট্যাগ অফিসার মো: রফিকুল আলম , উপজেলা সমন্বয়কারী, আমার বাডি আমার খামার ও পল্লী সজ্ঞয় ব্যাংক জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়ের নির্দেশনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার গুলো জনগনের হাতে পৌঁছে দেয়া সহ আমাদের নিকট অর্পিত দায়িত্ব মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে যথাযথভাবে পালনে আমরা জনপ্রতিনিধিদের সহায়তা করে আসছি।আমরা উপজেলা নির্বাহ কর্মকর্তা মহোদয়ের নেতৃত্বে একটা দল হয়ে মহামারীর এই ক্রান্তিলগ্নে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি, এ ছাড়াও কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মুস্তাফিজুর রহমান বাজার মনিটর সহ সকল প্রকার কাজে ইউএনও কে সহায়তা করেন।

এ জন্য সকল কর্মকর্তা ইউএনও মহোদয় এর নিকটে অনেক প্রশংসার মুখর হচ্ছে যাতে করে তিনি সবাই কে নিয়ে কাজ পরিচালনা করতে সক্ষম হচ্ছেন এজন্য ইউএনও মাসুমা আক্তার সবাই কে ধন্যবাদ জানিয়ে কাজ করতে আহবান জানিয়েছে।

এবং আমরা প্রত্যেকে অবগত আছি যে কিছুদিন পূর্বে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব আইরিন আক্তারও জনগণের পাশে সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখতে গিয়ে নিজে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এজন্যও ইউএনও মাসুমা আক্তার সহ কমবেশি সকল উপজেলার উপজেলা নিবার্হী অফিসার কমবেশি দুঃখজনক শোক প্রকাশ করেছেন তার মতামত তাদের সহকর্মীর কিছু হওয়া মানে তাদের নিজেদেরও হওয়া এবং তিনি যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে যায় এজন্য সবাই প্রার্থনা করছে।

এজন্য ইউএনও মাসুমা আক্তার সকল দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন জাতে তিনি এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে তার দায়িত্বে অব্যাহৃত থাকতে পারেন। নিজে সুস্থ থেকে এবং সকল মানুষকে সুস্থ রাখতে পারেন এই প্রত্যাশা একমাত্র তার চাওয়া।