মানছেনা সরকারী নির্দেশনা, খুলছে লকডাউন দিতে হবে কিস্তি!!

0

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কথা রাখলেন না এনজিও গুলো। সরকারী নির্দেশনা ছিলো কিস্তি স্থগিত ৩০ জুন পর্যন্ত। সীমিত আকারে শুরু হলো নিম্ন আয়ের মানুষের সীমাহীন কষ্ট! আগামী ১ তারিখ থেকে সরকারের সিদ্ধান্তেই খুলছে সীমিত আকারে লকডাউন। বিপাকে পড়েছে দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের সাধারন মানুষ। আজ সকাল থেকেই বিভিন্ন এনজিও থেকে কিস্তি চাওয়া শুরু হয়ে গেছে বলে সুত্রে জানা গেছে । এদিকে লকডাউনে দিনমুজুর ও নিম্ন আয়ের সাধারন মানুষের নুন আনতে পান্তা ফুরানোর দশা। এর মধ্যেই দিতে হবে কিস্তি। বিপাকে পড়েছে দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের সাধারন মানুষ। ঠিক মত দু’বেলা দুমুঠো ভাত খেতেই হিমশিম খাচ্ছেন। তার ওপর মরার উপর খাড়ার ঘা। দেশের করোনা ভাইরাস মহামারীর কথা ভেবে কুষ্টিয়া জেলা প্রসাশক থেকে একটি স্বারক লিপিতে বলা হয়, আগামী ৩০ জুন ২০২০ পর্যন্ত ঋণ স্থগিত করা হলো। এদিকে তার উল্টো দিকে হাটছেন কুষ্টিয়ার এনজিওগুলো। কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে শুরু করতে যাচ্ছে তাদের ঋণ কার্যকালাপ! খেটে খাওয়া মানুষ গুলোই বেশি ঋণের জালে জড়িয়ে আছে। এবিষয়ে একজনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, ঠিক মত খেতে পারছি না এর মধ্য এনজিও থেকে আজ ফোন দিয়েছে আগামী ৩১ মে কিস্তি দিতে হবে। কি করবো খাবো না কিস্তি পরিশোধ করবো? লকডাউনেই সব শেষ হয়ে গেছে। কি করি বুঝতে পারছি না। আমাদের আর বেঁচে থাকা হলো না! একদিকে করোনা অন্য দিকে কিস্তি! এক মাস আগে থেকে কিস্তি নিতে উঠেপড়ে লেগেছে এনজিও গুলো। দেশের এই মহামারী বেড়েই চলেছে। দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। আক্রান্তর সংখ্যা না হয় নাই বলি। রাস্তায় লোক শুন্য। কাজ নেই। কর্ম নেই। যারা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকুরি করে তাদের অবস্থা করুন। মাসের বেতন দিচ্ছে অর্ধেক করে। আবার কোন কোন কোম্পানিতে তো লোক ছাঁটায় করা নিয়ে ব্যস্ত। এর মধ্যেই আবার কিস্তি জ্বলা বেঁচে থাকাটাই যেনো কষ্ট দায়ক। চারি দিকে নাই আরও নাই লেগে আছে।

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় এই কিস্তির জ্বালা থেকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে বাঁচে যাবে দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের সাধারন মানুষ।
উল্লেখ্যঃ ২৩ মার্চ ২০২০। সূত্র মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি ২২/০৩/২০২০ তারিখের
৫৩ নম্বর পত্র।উপযুক্ত বিষয়র পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি প্রেরিত সুত্র স্যারকে বর্তমানে করোনা ভাইরাসজনিত কারনে বিশ্ববানিজ্যের পাশাপাশি দেশের ব্যবসা-বানিজ্যের নেতিবাচক প্রভাবে ক্ষুদ্র্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ঋণ শ্রেণী করন ও আদায় সংকান্ত নির্দেশনা মোতাবেক আগামী ৩০ জুন ২০২০ পর্যন্ত ঋণ এর কিস্তি আদায়
(জোরপূর্বক) স্থগিত রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো। তবে কোন ঋণ গ্রহীতা কিস্তি পরিশোধ করলে তা গ্রহণ করা যাবে।